"He doesn't even have a beard yet, and he’s criticizing others!" — Kunal Ghosh launches an unprecedented attack on Ritabrata.

রাজ্যে চালু হতে চলেছে ‘প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা’!

রাজ্যের নারীসমাজ ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবার এক ঐতিহাসিক ও অভাবনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার এবং যুবশক্তি প্রকল্পের পর এবার সরাসরি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের অ্যাকাউন্টে নগদ আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিতে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন থেকে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন— রাজ্যের মা ও শিশুদের সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি সুনিশ্চিত করতে বঙ্গে খুব শীঘ্রই পুরোপুরি চালু হতে চলেছে কেন্দ্র সরকারের বহুল চর্চিত ‘প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা’। এই জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যজুড়ে লাখ লাখ পরিবার সরাসরি আর্থিক নিরাপত্তার মুখ দেখতে চলেছে।

আমাদের দেশে একটা বড় অংশের গর্ভবতী মহিলা রক্তাল্পতা ও অপুষ্টিজনিত একাধিক সমস্যায় ভুগে থাকেন। যার সরাসরি মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে নবজাতকের ওপর। সেই অভাব ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি দূর করতেই এই বিশেষ আর্থিক সহায়তার রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কোনো মা তাঁর প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রে পাবেন মোট ৫ হাজার টাকা। এই অর্থ প্রধানত দুটি কিস্তিতে ভাগ করে দেওয়া হবে। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বা নিকটবর্তী সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অন্তঃসত্ত্বা হিসেবে নাম নথিভুক্ত করলেই প্রথম কিস্তিতে মিলবে ৩ হাজার টাকা। এরপর সন্তানের জন্ম ও প্রাথমিক টিকাকরণের চক্র সম্পূর্ণ হওয়ার পর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে বাকি ২ হাজার টাকা। শুধু তাই নয়, দ্বিতীয় সন্তান যদি কন্যা সন্তান হয়, তবে সেই ক্ষেত্রে এককালীন একলপ্তেই ৬ হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে প্রসূতি মায়ের অ্যাকাউন্টে।

এই প্রকল্পের সমস্ত লেনদেন হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও জালিয়াতিমুক্ত প্রক্রিয়ায়। ডিরেক্ট বেনেফিট ট্র্যান্সফার বা ডিবিটি সিস্টেমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট মায়েদের নিজস্ব ব্যাঙ্ক অথবা পোস্ট অফিস অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠাবে সরকার। আবেদনের জন্য আবেদনকারীকে ন্যূনতম ১৯ বছর বয়সী হতে হবে এবং আধার সংক্রান্ত সঠিক নথিপত্র, মা ও শিশু সুরক্ষা কার্ড এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যাদি জমা দিতে হবে। তবে কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও সরকারি সংস্থায় কর্মরত মহিলারা এই স্কিমের আওতায় আসবেন না। তো অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করে সুস্থ ও সবল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে নব্য রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ সত্যিই এক নতুন, স্বনির্ভর ও মানবিক বাংলার উজ্জ্বল রূপ ফুটিয়ে তুলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *