পুরভোটে বিজেপির প্রার্থী হতে ইচ্ছুকদের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরভোটে বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৬ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে প্রার্থী হওয়ার আবেদনপত্র নির্দিষ্ট ড্রপবক্সে জমা দিতে হবে। পুরভোটের প্রস্তুতিতে ইতিমধ্যেই সক্রিয় হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। সেই পরিস্থিতিতে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়াও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে বিজেপি। তবে আবেদন করলেই যে টিকিট নিশ্চিত, এমনটা কিন্তু নয়। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখবে দল।
সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য অনুযায়ী, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা, যাঁরা পুরভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী, তাঁরাও বিজেপির প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিজেপির পুরনো কার্যকর্তা ও দলের কর্মীদেরই প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা হবে। প্রথমত, কার জেতার সম্ভাবনা বেশি, তা খতিয়ে দেখা হবে। দ্বিতীয়ত, প্রার্থীর ভাবমূর্তি কেমন, তা বিচার করা হবে। তৃতীয়ত, স্থানীয় মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা কতটা, সেটিও গুরুত্ব পাবে। কারণ, পুরভোটে স্থানীয় স্তরে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, এলাকার পরিচিতি এবং জনসমর্থন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
এছাড়াও, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দলের সাংগঠনিক স্তরগুলির মতামত নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির। বুথ স্তরে তথ্য যাচাই করার পরই প্রার্থী নির্বাচনের পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর মাত্র তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারবে দল। তবে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সময় নির্ভর করবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এবং দলের সিদ্ধান্তের উপর। সব মিলিয়ে, পুরভোটের আগে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়াকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে বিজেপি।একদিকে দলের পুরনো কর্মীদের অগ্রাধিকার, অন্যদিকে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য সুযোগ এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রেখেই প্রার্থী নির্বাচনের পরিকল্পনা করছে গেরুয়া শিবির।
