Arsenal Discovered in Trinamool Leader's Home! Area in Uproar Over Allegations of Encroaching on Government Land; Outrage Mounts Over Police Role.

“তৃণমূল নেতার ঘরে অস্ত্রভাণ্ডার! খাস জমি দখলের অভিযোগে উত্তাল এলাকা, পুলিশের ভূমিকা ঘিরে ক্ষোভ”

বাংলায় ক্ষমতা বদল হতেই পিসি-ভাইপোর চোর-ডাকাত আর বোমাবাজদের সাম্রাজ্য কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে, দেখুন তার আরও এক জলজ্যান্ত প্রমাণ! উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের হেমনগর বাজারে এবার তৃণমূল নেতার এক রহস্যময় বন্ধ ঘরকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা। সরকারি খাস জমি দখল করে তৈরি করা সেই দুর্গের ভেতরে নাকি মজুত রয়েছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের পাহাড়! আর সেই পাপের ঘর সিল করতে গিয়ে খোদ পুলিশের সাথেই তীব্র সংঘাত বাধল বিজেপির বীরঙ্গনা নেত্রী তথা নবনির্বাচিত বিধায়ক রেখা পাত্রের! আসুন চিনে নিন এই সমাজবিরোধীকে ….
এই দোতলা প্রাসাদের মালিক হলো এলাকার কুখ্যাত তৃণমূল নেতা দেবব্রত বৈদ্য ওরফে বাবু বৈদ্য। বিগত ১৫ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীষে এই বাবু বৈদ্যরা এলাকায় যা ইচ্ছে তাই করেছে। সরকারি খাস জায়গা গায়ের জোরে দখল করে এই বিশাল বিল্ডিং খাড়া করেছিল সে। কিন্তু নবান্নে শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি সরকার আসতেই এই ভীরু কাপুরুষ এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছে, আর তার বাড়িটি পড়ে রয়েছে তালাবন্ধ অবস্থায়।

গ্রামবাসীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, এই বাবু বৈদ্য নিজের ক্ষমতার দাপট টিকিয়ে রাখতে ওই বন্ধ ঘরের ভেতর খাঁচায় খাঁচায় বেআইনি বন্দুক, বোমা আর আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে রেখেছে। যা দিয়ে এতদিন সন্দেশখালি-হিঙ্গলগঞ্জের সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো হতো, মা-বোনেদের ওপর অত্যাচার চালানো হতো। বুধবার যখন গ্রামবাসীরা পুলিশকে সাথে নিয়ে সেই রহস্যময় ঘরের শাটার আর তালা ভাঙতে যায়, তখনই শুরু হয় আসল নাটক! তৃণমূলের চাটুকারিতা করতে করতে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া পুলিশের একাংশ সেখানে গিয়ে নানা আইনি জটিলতার বাহানা দিতে শুরু করে। ঠিক সেই সময় ঘটনাস্থলে রুদ্রমূর্তি ধারণ করে উপস্থিত হন হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক রেখা পাত্র এবং হাসনাবাদের এসডিপিও। রেখা পাত্র বুক চিতিয়ে পুলিশের মুখের ওপর সাফ জানিয়ে দেন— সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে এবং তৃণমূলের এই অস্ত্রভাণ্ডারের সত্যতা সামনে আনতে এখনই এই মুহূর্তেই তালা ভেঙে তল্লাশি চালাতে হবে! কিন্তু পুলিশ কেন যেন সেই ঘর খুলতে গড়িমসি করছিল, যা নিয়ে এসডিপিও-র সাথে তীব্র বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিধায়ক। বিজেপি বিধায়কের সিংহম রূপ এবং জাগ্রত জনতার গর্জন দেখে শেষ পর্যন্ত লেজ গুটিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় পুলিশ প্রশাসন। সাধারণ মানুষের সামনে কান ধরে পুলিশ আশ্বাস দিতে বাধ্য হয় যে, পরদিন সকাল ১১টায় ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এবং অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার পরিবারের সামনে ওই রহস্যময় ঘরের দরজা ভেঙে তল্লাশি চালানো হবে। পিসি-ভাইপোর পুলিশ যে এখন আর চোরদের বাঁচাতে পারবে না, তা শুভেন্দুজির সুশাসনে আজ স্পষ্ট হয়ে গেছে।

গোটা হেমনগর বাজার এলাকা এখন পুলিশি টহলদারিতে মুড়ে ফেলা হয়েছে। আজ সকালে ওই বন্ধ ঘর থেকে আসলেও কতটা অস্ত্রের পাহাড় উদ্ধার হয়, সেদিকেই চোখ রাখছে গোটা বাংলা। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার—রেখা পাত্রের মতো নেত্রীরা যেখানে আছেন, সেখানে তৃণমূলের কোনো গুন্ডার রেহাই নেই। বাংলায় এবার শান্তি ফিরবেই! সেই সঙ্গে এও দেখার, তৃণমূল নেতা বাবু বৈদ্যর এই ঘর থেকে সত্যিই কোনো বড় কোনো নাশকতার অস্ত্র উদ্ধার হয় কিনা? আর পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করে কিনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *