বাঙালিদের এক গর্বের মুহূর্ত উপহার দিতে চলেছে মোদী সরকার ! পশ্চিমবঙ্গকে সত্যি সত্যি ‘বিশ্ব বাংলা’ হিসেবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিলেন ভারতের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলায় ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হতেই আসতে শুরু করেছে একের পর এক মেগা উপহার। আগামী ২১শে জুন, আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল এবং সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠানটি দেশের অন্য কোথাও নয়, অনুষ্ঠিত হতে চলেছে খোদ তিলোত্তমা কলকাতায়! স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কলকাতার বুকে বিশ্ব ইতিহাস তৈরি করবেন। যেখানে অংশ নেবেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। কী এই মহাপরিকল্পনা এবং কোথায় বসবে মোদীজীর এই মেগা মঞ্চ?
প্রতি বছরই বিশ্বজুড়ে মহা সাড়ম্বরে পালিত হয় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। ভারতের প্রাচীন এই সংস্কৃতিকে যিনি বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠা করেছেন, সেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতি বছর দেশের একটি বিশেষ প্রান্তে এই মূল অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রক সূত্রে খবর, ২০২৬ সালের এই মেগা যোগ উৎসবের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী রেড রোডকে। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানকে নিখুঁত ও সফল করতে ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেগা বৈঠক শুরু করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মোদীজীর সুরক্ষাবলয় থেকে শুরু করে লক্ষ লক্ষ মানুষের জমায়েত—সবকিছু নিজে দাঁড়িয়ে তদারকি করছেন শুভেন্দুজী। গত ২৭শে মে, বুধবার মধ্যপ্রদেশের খাজুরাহোতে আয়োজিত ‘যোগ মহোৎসব ২০২৬’-এর মঞ্চে দাঁড়িয়ে এই ধামাকা ঘোষণাটি করেন কেন্দ্রীয় আয়ুষ ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রতাপরাও যাদব। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এবারের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কলকাতা। শুধু তাই নয়, এবারের যোগ দিবসের থিম রাখা হয়েছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ—“যোগা ফর হেলথি এজিং” (Yoga for Healthy Ageing)। অর্থাৎ, সুস্থভাবে বার্ধক্যে পৌঁছাতে এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে যোগাসন কীভাবে আমাদের সাহায্য করে, সেটাই এবার কলকাতার মঞ্চ থেকে গোটা বিশ্বকে শেখাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিগত জমানায় যে রেড রোডের মঞ্চকে রাজনৈতিক বিষ ছড়াতে এবং তোষণের স্বার্থে ব্যবহার করা হতো, আজ মোদী-শুভেন্দুর জমানায় সেই রেড রোড সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব কল্যাণের ও ভারতীয় সংস্কৃতির পুনরুত্থানের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই অভাবনীয় উদ্যোগ প্রমাণ করে দিল—বাংলাকে শ্রেষ্ঠ আসনে বসাতে তিনি কতটা সংকল্পবদ্ধ। ২১শে জুনের সকালে কলকাতার বুকে তৈরি হবে এক নতুন ইতিহাস, যা দেখে বিশ্ববাসী বলবে—বাঙালি আবার বিশ্বমঞ্চে স্বমহিমায় ভাস্বর!
আপনার কী মনে হয়? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের পর কলকাতা কি আন্তর্জাতিক স্তরে তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে? কমেন্ট জানান আপনার মতামত।