আজকাল সরাসরি কোনও রাজনৈতিক অভিমত প্রকাশ করেন না শাহরুখ খান। ২০২৩ সালে ‘জওয়ান’ ছবিতে তাঁর রাজনৈতিক মোনোলগ বিশেষ সাড়া ফেলেছিল। সেই ছবিতে কৃষকদের সমস্যার কথাও উঠে এসেছিল। কিন্তু এর বাইরে তিনি রাজনীতি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখেন বরাবর। সেই শাহরুখ খানকে নিয়েই এবার জল্পনা। তিনি নাকি যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন নানান জল্পনা ডালপালা মেলতে শুরু করেছে। সত্যিই কি বলিউড বাদশা রাজনীতিতে নাম লেখাবেন?
বিজেপি নেতা মোহিত কামবোজের কন্যা মিশকা কামবোজের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বলিউডের বহু তারকাই উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন বলিউডের কিং খানও। শাহরুখ ছাড়াও দেখা গিয়েছে রণবীর সিংহ, সঞ্জয় দত্ত, প্রীতি জ়িন্টা, শিল্পা শেট্টীকে। সঞ্জয়-পত্নী মান্যতা দত্ত ওই জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকে একটি ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন। সেই ছবিতেই দেখা যায় বলিউডের তারকাদের। আর সেখান থেকেই জল্পনা শুরু। সেই অনুষ্ঠানেই সকলের সাথে মুহূর্ত ভাগাভাগি করে নিয়েছিলেন বলিউড কিং শাহরুখও। কিং খানের উপস্থিতি অনেকেই বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেও মনে করছেন।
সঞ্জয়-পত্নী মান্যতা দত্ত ওই জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকে একটি ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন। সেই ছবিতেই দেখা যায় বলিউ়ডের তারকাদের। শনিবার রাতের এই ছবি ভাগ করে নিয়ে মান্যতা লেখেন, “এই রাত কি এর চেয়ে স্মরণীয় হতে পারে?”
আসলে বলিউড তারকাদের বিভিন্ন সামাজিক বা ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা নতুন কিছু নয়। সেলিব্রিটিরা প্রায়ই বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা শিল্পপতিদের পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন—এটা মানেই রাজনৈতিক যোগদান নয়। বিশেষ করে শাহরুখ খান সব সময় রাজনীতি থেকে অনেকটা দূরে থাকতেই পছন্দ করেন। তাই জল্পনা যতই ছড়াক না কেন বলিউড বাদশা যে রাজনীতিতে নাম লেখাচ্ছেন না এটা পরিষ্কার। বরং নতুন কাজে মন দিয়েছেন তিনি।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পাঠান, জাওয়ান এমনকি ডাঙ্কির মতো তিন তিনটি ব্লকবাস্টার সিনেমা উপহার দিয়েছেন শাহরুখ খান। যদিও এই মুহূর্তে নিজের ছবি কিং নিয়ে ব্যস্ত অভিনেতা। এই সিনেমাতেই প্রথমবারের মতো দেখা যাবে বলিউড বাদশাহ শাহরুখের মেয়ে সুহানা খানকে। সঙ্গে থাকছেন রানী মুখার্জি থেকে শুরু করে অভিষেক বচ্চনের মতো একাধিক পরিচিত মুখ।