Stopping the car, multiple shots were fired from point-blank range.

গাড়ি থামিয়ে পয়েন্ট ব্ল্যাক রেঞ্জ থেকে একাধিক গুলি বর্ষণ! কিন্তু কেন হঠাৎ হামলার শিকার হলেন শুভেন্দু অধিকারীর পিএ?

বাংলার রাজনীতিতে যখন পরিবর্তনের নতুন ভোর আসতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই এক মর্মান্তিক খবরে স্তব্ধ হয়ে গেল রাজনৈতিক মহল। শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সেনাপতি এবং আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ আর নেই। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় ঘাতক বাহিনীর বুলেট কেড়ে নিল এক লড়াকু প্রাণ। যিনি কেবল শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গী ছিলেন না, ছিলেন তাঁর ছায়াসঙ্গী এবং চড়াই-উতরাইয়ের পথের অবিচল সাথী। কিন্তু কে এই চন্দ্রনাথ? কেন তিনি শুভেন্দুর এতো ঘনিষ্ঠ ছিলেন?১৯৮৪ সালে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে জন্ম চন্দ্রনাথের। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের ভাবধারায় বড় হওয়া চন্দ্রনাথের স্বপ্ন ছিল সন্ন্যাসী হওয়ার। কিন্তু ভাগ্য তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনায়। দীর্ঘ ১৮ বছর আকাশসীমায় দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পর, সৈনিক থেকে তিনি ফিরেছিলেন জনসেবার আঙিনায়।
চন্দ্রনাথের রক্তে ছিল রাজনীতি। তাঁর পরিবার নব্বইয়ের দশক থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর পরিবারের ঘনিষ্ঠ। চন্দ্রনাথের মা হাসি রথও একসময় পঞ্চায়েত সমিতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। ২০২০ সালে শুভেন্দু যখন বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য বিজেপি-তে যোগ দেন, চন্দ্রনাথের পরিবারও সেই ন্যায়ের লড়াইয়ে শামিল হয়।২০১৯ সাল থেকেই চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ভরসার জায়গা। শুভেন্দু যখন মন্ত্রী হলেন, তখন তাঁর জলসম্পদ দফতরের গুরুদায়িত্ব সামলেছেন এই প্রাক্তন সেনানি। বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দুর প্রতিটি লড়াইয়ে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন চন্দ্রনাথ। জল্পনা ছিল, বাংলার আগামী প্রশাসনিক কাঠামোতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন তিনি। কিন্তু ঘাতক বাহিনীর বুলেট সেই স্বপ্ন থামিয়ে দিল। বিজেপি কর্মীদের দাবি, যারা বাংলার এই ঐতিহাসিক পরিবর্তন সইতে পারছে না, তারাই এই ষড়যন্ত্রের কারিগর। দেশমাতৃকার সেবা করার পর বাংলার মানুষের সেবা করতে এসে চন্দ্রনাথের এই আত্মত্যাগ বিজেপি কর্মীদের মনে ক্ষোভ আর জেদ বাড়িয়ে দিয়েছে।চন্দ্রনাথ রথ আজ নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ আর আনুগত্য বাংলার বিজেপি কর্মীদের লড়াইয়ে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। শুভেন্দু অধিকারীর এই বিশ্বস্ত সৈনিকের রক্তের ঋণ কি বৃথা যাবে? বাংলার মানুষ কি এই হিংসার জবাব দেবে? চন্দ্রনাথ রথের স্মৃতির প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা। আপনার শোকবার্তা আমাদের কমেন্টে জানান। সত্যের পথে এই লড়াইয়ের প্রতিটি মুহূর্তের খবরের জন্য আমাদের সাথেই থাকুন।

বায়ুসেনার দেশপ্রেম থেকে বাংলার রাজনীতিতে—কে এই লড়াকু সৈনিক ?

কোথা থেকে শুভেন্দুর হাত ধরে চলা শুরু করেছিলেন তিনি ?

জানুন শুভেন্দু অধিকারীর পিএ চন্দ্রনাথ রথের উত্থানের কাহিনী…

বাংলার রাজনীতিতে যখন পরিবর্তনের নতুন ভোর আসতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই এক মর্মান্তিক খবরে স্তব্ধ হয়ে গেল রাজনৈতিক মহল। শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সেনাপতি এবং আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ আর নেই। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় ঘাতক বাহিনীর বুলেট কেড়ে নিল এক লড়াকু প্রাণ। যিনি কেবল শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গী ছিলেন না, ছিলেন তাঁর ছায়াসঙ্গী এবং চড়াই-উতরাইয়ের পথের অবিচল সাথী। কিন্তু কে এই চন্দ্রনাথ? কেন তিনি শুভেন্দুর এতো ঘনিষ্ঠ ছিলেন?১৯৮৪ সালে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে জন্ম চন্দ্রনাথের। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের ভাবধারায় বড় হওয়া চন্দ্রনাথের স্বপ্ন ছিল সন্ন্যাসী হওয়ার। কিন্তু ভাগ্য তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনায়। দীর্ঘ ১৮ বছর আকাশসীমায় দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পর, সৈনিক থেকে তিনি ফিরেছিলেন জনসেবার আঙিনায়।
চন্দ্রনাথের রক্তে ছিল রাজনীতি। তাঁর পরিবার নব্বইয়ের দশক থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর পরিবারের ঘনিষ্ঠ। চন্দ্রনাথের মা হাসি রথও একসময় পঞ্চায়েত সমিতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। ২০২০ সালে শুভেন্দু যখন বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য বিজেপি-তে যোগ দেন, চন্দ্রনাথের পরিবারও সেই ন্যায়ের লড়াইয়ে শামিল হয়।২০১৯ সাল থেকেই চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ভরসার জায়গা। শুভেন্দু যখন মন্ত্রী হলেন, তখন তাঁর জলসম্পদ দফতরের গুরুদায়িত্ব সামলেছেন এই প্রাক্তন সেনানি। বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দুর প্রতিটি লড়াইয়ে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন চন্দ্রনাথ। জল্পনা ছিল, বাংলার আগামী প্রশাসনিক কাঠামোতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন তিনি। কিন্তু ঘাতক বাহিনীর বুলেট সেই স্বপ্ন থামিয়ে দিল। বিজেপি কর্মীদের দাবি, যারা বাংলার এই ঐতিহাসিক পরিবর্তন সইতে পারছে না, তারাই এই ষড়যন্ত্রের কারিগর। দেশমাতৃকার সেবা করার পর বাংলার মানুষের সেবা করতে এসে চন্দ্রনাথের এই আত্মত্যাগ বিজেপি কর্মীদের মনে ক্ষোভ আর জেদ বাড়িয়ে দিয়েছে।চন্দ্রনাথ রথ আজ নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ আর আনুগত্য বাংলার বিজেপি কর্মীদের লড়াইয়ে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। শুভেন্দু অধিকারীর এই বিশ্বস্ত সৈনিকের রক্তের ঋণ কি বৃথা যাবে? বাংলার মানুষ কি এই হিংসার জবাব দেবে? চন্দ্রনাথ রথের স্মৃতির প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা। আপনার শোকবার্তা আমাদের কমেন্টে জানান। সত্যের পথে এই লড়াইয়ের প্রতিটি মুহূর্তের খবরের জন্য আমাদের সাথেই থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *