The BJP clings tenaciously to the soil of Bengal—a brilliant strategic move by the Lotus camp.

বাংলার মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছে বিজেপি পদ্ম শিবিরের দুর্দান্ত চাল

ভোটের উত্তাপ যত বাড়ছে, ততই জমে উঠছে রাজনৈতিক লড়াই। পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত বিজেপির। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ টানা সাত দিন রাজ্যেই থাকছেন। ২৭ এপ্রিল, সোমবার পর্যন্ত তিনি থাকবেন কলকাতায়। আর এই সময়ের মধ্যেই তৈরি হবে দ্বিতীয় দফার ভোটের রণকৌশল। কারণ, ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। আর তার আগে সোমবারই শেষ হয়ে যাবে প্রচারের সময়সীমা। তাই শেষ মুহূর্তের লড়াইয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না বিজেপি।

মঙ্গলবার গভীর রাতে নিউ টাউনে বিজেপির দফতরে বসে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। রাত প্রায় পৌনে ১০টা থেকে শুরু হয়ে সেই বৈঠক চলে রাত ১২টা ৫ মিনিট পর্যন্ত। কিন্তু এই বৈঠকে ছিলেন কারা?

দ্বিতীয় দফার ভোট যেখানে হবে, সেই সব জেলার জেলা সভাপতি, জেলা ইনচার্জ এবং প্রবাসী জেলা ইনচার্জদের ডাকা হয়েছিল। চারটি সাংগঠনিক জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারাও ছিলেন বৈঠকে। এই চার জোনের অধীনে রয়েছে মোট ১৩টি সাংগঠনিক জেলা। শুধু তাই নয়, অমিত শাহের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বও। ছিলেন ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব দেব, সুনীল বনসল এবং অমিত মালবীয়। সূত্রের খবর, বৈঠকে প্রতিটি বিধানসভা আসন ধরে ধরে রিপোর্ট নেন শাহ। কোথায় বিজেপি এগিয়ে? কোথায় পরিস্থিতি কঠিন? কোন এলাকায় সংখ্যালঘু ভোটের প্রভাব বেশি? এসআইআর-এর পর বদলেছে কোন সমীকরণ?

প্রতিটি জেলার প্রতিটি আসনের হিসাব চেয়েছেন তিনি। শুধু কাগজে-কলমে নয়, যাঁরা সরাসরি মাঠে কাজ করছেন, তাঁদের কাছ থেকেও শুনেছেন বাস্তব পরিস্থিতি। অর্থাৎ, দিল্লির রিপোর্ট আর বাস্তব পরিস্থিতির রিপোর্ট দুটো মিলিয়েই এবার চূড়ান্ত কৌশল তৈরি করতে চাইছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শুধু সংগঠন নয়, বুথ স্তরেও এবার আলাদা নজর দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। কোন কেন্দ্রে অতিরিক্ত প্রচার দরকার, কোথায় তারকা প্রচারক নামাতে হবে, আর কোথায় স্থানীয় ইস্যুকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে, সেই পরিকল্পনাও এই বৈঠকে চূড়ান্ত হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। অর্থাৎ, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ময়দানে থেকে পরিস্থিতি নিজের হাতে রাখতে চাইছেন অমিত শাহ।

প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল। সেই দিনও রাজ্যেই থাকবেন অমিত শাহ। আর তারপর টানা নজর থাকবে দ্বিতীয় দফার ২৯ এপ্রিলের লড়াইয়ে। তাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অমিত শাহের এই সাত দিনের উপস্থিতি কি বিজেপির ভোটের সমীকরণ বদলে দিতে পারবে? নাকি বাংলার মাটিতে আবারও অন্য ছবি দেখা যাবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *