Suvendu's convoy came to a halt as the boys gestured; the Chief Minister gave them his number. They stepped forward as soon as the convoy stopped.

ছেলেগুলো হাত দেখাতেই দাঁড়িয়ে পড়ল শুভেন্দুর কনভয়, মুখ্যমন্ত্রী দিলেন নম্বর কনভয় থামতেই সামনে এগিয়ে আসে তারা

ঘটনাই এখন উত্তরবঙ্গ সফরের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।উত্তরবঙ্গ সফরের ব্যস্ততার মধ্যেও রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা দুই স্কুলপড়ুয়ার ইশারা উপেক্ষা করেননি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কনভয় থামিয়ে তাঁদের কথা শোনা শুনলেন। প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরে থেকেও সাধারণ মানুষের কথা শোনার মানসিকতা থাকলে মানুষের আস্থাও বাড়ে। বিশেষ করে ছাত্রদের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনা তাঁদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও সাহস জোগায়।

এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়েছে, মানুষের সমস্যা জানার জন্য সব সময় বড় সভা বা সরকারি বৈঠকের প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় সাধারণ মানুষের মুখ থেকেই বাস্তব পরিস্থিতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। দুই ছাত্র যে মাদক ব্যবসার বিষয়টি তুলে ধরেছে, তা স্থানীয় মানুষের উদ্বেগের কারণ, আর তা শুনে কী প্রতিকার করলেন?মুখ্যমন্ত্রীর এই আচরণকে অনেকেই জনসংযোগের ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। নিরাপত্তা ও সময়সূচির ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও কনভয় থামিয়ে কয়েক মিনিট সময় দেওয়া মানুষের কাছে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়। এতে সাধারণ নাগরিকদের মনে বিশ্বাস তৈরি হয় যে, তাঁদের সমস্যার কথা সরাসরি প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়েও পৌঁছাতে পারে।

মুখ্যমন্ত্রী নিজে থেকেই তাঁদের হাত থেকে মোবাইল নিয়ে নেন। অতঃপর সেখানে নিজের নম্বর লিখে দেন। শুভেন্দু বলেন, “আগামীতে যা সমস্যা হবে তা যেন তাঁকে হোয়াটস অ্যাপ করে জানিয়ে দেওয়া হয়। তিনি পদক্ষেপ নেবেন।

 

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একজন মুখ্যমন্ত্রীর সবচেয়ে বড় শক্তি মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ। শুভেন্দু অধিকারীর এই পদক্ষেপ সেই দৃষ্টিভঙ্গিকেই তুলে ধরে। শুধু অভিযোগ শোনা নয়, যদি সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে মাদকের মতো সামাজিক সমস্যার মোকাবিলায় সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগ আরও শক্তিশালী হবে।

রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা দুই স্কুলপড়ুয়ার হাত নাড়াকে গুরুত্ব দিয়ে কনভয় থামিয়ে তাঁদের কথা শোনা নিঃসন্দেহে একজন জননেতার সংবেদনশীলতার পরিচয় দেয়। ব্যস্ত সরকারি সফর, কড়া নিরাপত্তা এবং নির্ধারিত কর্মসূচির মাঝেও সাধারণ ছাত্রদের জন্য সময় বের করে নেওয়া সহজ সিদ্ধান্ত নয়। এই ঘটনায় শুভেন্দু অধিকারী দেখিয়েছেন, মানুষের কথা শোনার ইচ্ছাই একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি।
বিশেষ করে ছাত্রদের বক্তব্য ধৈর্য ধরে শোনা এবং তাঁদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা প্রশংসনীয়। এতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই বিশ্বাস জন্মায় যে, তাঁদের মতামতও প্রশাসনের কাছে মূল্যবান। এমন আচরণ জনগণের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *