The Modi government's Gokul Mission scheme is now set to launch in Bengal!

এবার বাংলায় শুরু হতে চলেছে মোদী সরকারের গোকুল মিশন প্রকল্প!

পরিবর্তনের নতুন বাংলায় এবার ডবল ইঞ্জিন সরকারের আসল গতি দেখতে চলেছে আমজনতা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সুশাসনে এবার বাংলায় মহাসমারোহে চালু হতে চলেছে মোদী সরকারের স্বপ্নের প্রকল্প— ‘রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশন’। প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েই বিস্ফোরক মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। গোশালা মালিকদের সাথে এক হাই-প্রোফাইল বৈঠকের পর তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, বাংলায় এবার আর কোনো সিন্ডিকেট চলবে না, চলবে শুধু আইনের শাসন। বিগত ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় বাংলাকে গরু পাচারকারীদের সেফ করিডোর বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পিসি-ভাইপোর ঘনিষ্ঠ ভাই-বেরাদরেরা সিন্ডিকেট রাজ চালিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা এপার থেকে ওপারে পাচার করেছে। কোটি কোটি টাকার কাটমানি খেয়ে পুলিশ-প্রশাসনকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রেখেছিল বিদায়ী শাসকদল। কিন্তু দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দিন বদলে গেছে! গোকুল মিশন প্রকল্পের হাত ধরে এবার বেআইনি গো-হত্যা এবং বাংলাদেশে গরু পাচার সম্পূর্ণ স্তব্ধ করা হবে। পুলিশ ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে। কিন্তু কী থাকছে এই গোকুল মিশন প্রকল্পে?

মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্যই হলো দেশীয় গো-বংশের উন্নয়ন এবং দুগ্ধ শিল্পের আধুনিকীকরণ। বাংলার সাধারণ মানুষ যাতে অত্যন্ত কম দামে এবং সস্তায় খাঁটি পুষ্টিকর দুধের পরিষেবা পান, তার জন্য বৈজ্ঞানিক উপায়ে গো-পালন করা হবে। যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের রাজনৈতিক অহংকারের কারণে বাংলায় ঢুকতে দেননি, শুভেন্দু অধিকারী ক্ষমতায় আসতেই তা এখন বাংলায় দেদার রূপায়িত হচ্ছে।
শুধু গোরক্ষা বা দুধের দাম কমানো নয়, এই দফতরের মাধ্যমে বাংলার বেকার যুবকদের জন্য চাকরির মহাযজ্ঞ শুরু করতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ। আগের সরকারের চরম অপদার্থতার কারণে বছরের পর বছর শূন্যপদ খালি পড়েছিল, এক একজন সরকারি কর্মীকে চারটি করে পঞ্চায়েত সামলাতে হতো, যার ফলে গ্রামীণ কাজ থমকে গিয়েছিল। দিলীপ ঘোষ দায়িত্ব নিয়েই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইতিমধ্যেই সাড়ে ৬ হাজার পদের শর্টলিস্ট তৈরি হয়ে গেছে। খুব দ্রুত এই সাড়ে ৬ হাজার শূন্যপদে স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রামীণ বাংলাকে সচল করা হবে।

অন্যদিকে তৃণমূলের তথাকথিত ৫ টাকার ‘মা ক্যান্টিন’ নিয়ে মানুষের ক্ষোভের শেষ ছিল না। সেখানে ডিমের নামে কী খাওয়ানো হতো, আর টাকা কোন নেতার পকেটে যেত, তা সবার জানা। দিলীপ ঘোষ এই ক্যান্টিন ব্যবস্থা নিয়েও এক বিরাট ইঙ্গিত দিয়েছেন। ৫ টাকার ডিম-ভাতের চুরির দিন শেষ করে এবার সাধারণ মানুষের পাতে পুষ্টিকর মাছ-ভাত তুলে দেওয়ার নতুন ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করছে শুভেন্দুর গেরুয়া সরকার। চাকরি চুরি আর কাটমানির অন্ধকার সরিয়ে বাংলা আজ আসলেও এক নতুন ভোরের আলো দেখছে। একদিকে গরু পাচারকারীদের বিনাশ, অন্যদিকে সাড়ে ৬ হাজার চাকরি আর সস্তায় দুধের গ্যারান্টি—শুভেন্দু সরকারের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ প্রমাণ করে দিল যে বাংলায় আসলেও ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ শুরু হয়ে গেছে।

আপনার কী মনে হয়? দিলীপ ঘোষের হাত ধরে গোকুল মিশন চালু হলে কি বাংলা থেকে গরু পাচারের সিন্ডিকেট চিরতরে শেষ হয়ে যাবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *